মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬

৫ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২০, ২০২৬

৫ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

আপনি পড়ছেন : ফরিদপুর

সালথায় পূজামণ্ডপের ১৫০ ফুট রাস্তা নির্মাণ, প্রশংসায় যুবদল নেতা এনায়েত


আবুল বাসার, ফরিদপুর প্রতিনিধি:
DhakaReport24.com || 2026-10-20
সালথায় পূজামণ্ডপের ১৫০ ফুট রাস্তা নির্মাণ, প্রশংসায় যুবদল নেতা এনায়েত

ফরিদপুরের সালথায় নিজস্ব অর্থায়নে পূজামণ্ডপে যাতায়াতের জন্য ১৫০ ফুট ইটের রাস্তা নির্মাণ করে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন সদ্যঘোষিত উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব মো. এনায়েত হোসেন। তাঁর এ উদ্যোগে খুশি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ ও পূজারিরা।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের তুগোলদিয়া গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে নির্মিত রাস্তাটি দেখা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুগোলদিয়া গ্রামের মন্দিরে যাতায়াতের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী ছিল। কাদা-মাটি পেরিয়ে চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে মন্দিরে যাতায়াত করতে হতো গ্রামবাসী ও পূজারিদের। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ আরও বেড়ে যেত। যানবাহন চলাচলও ছিল প্রায় অসম্ভব। এমন পরিস্থিতির কথা জানতে পেরে যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন নিজস্ব অর্থায়নে সেখানে ১৫০ ফুট ইটের রাস্তা নির্মাণ করে দেন। এতে মন্দিরে যাতায়াতের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের কৃষিপণ্য পরিবহনের পথও সুগম হয়েছে।

তুগোলদিয়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝন্টু মালো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মন্দিরে যাতায়াতের রাস্তাটি নিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় কাদা-মাটির কারণে চলাচল করা খুবই কষ্টকর ছিল। এনায়েত হোসেন নিজ উদ্যোগে রাস্তাটি নির্মাণ করে দেওয়ায় আমরা খুবই খুশি। তাঁর এ সহযোগিতা আমাদের অনেক উপকারে এসেছে। আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।

পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক তপন দাস বলেন, মন্দিরে যাতায়াতের রাস্তাটি আমাদের দীর্ঘদিনের সমস্যা ছিল। বিষয়টি জানার পর এনায়েত হোসেন নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটি নির্মাণ করে দিয়েছেন। এতে শুধু পূজারিরাই নন, গ্রামের সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন। ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।


যুবদল নেতা মো. এনায়েত হোসেন বলেন, ভাওয়াল ইউনিয়নের তুগোলদিয়া একটি জনবহুল এলাকা। এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের অনেক মানুষ বসবাস করেন। তাঁরা যেন নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই মন্দিরকেন্দ্রিক এ ইটের রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের আন্তরিক ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।


তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ এলাকায় রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়নি বলে স্থানীয়দের দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। মন্দিরে যাতায়াতের পাশাপাশি সাধারণ কৃষকেরাও এ পথ দিয়ে তাঁদের উৎপাদিত ফসল পরিবহনে সমস্যায় পড়তেন। মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব এবং ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার চলাচল সহজ করতেই ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তাটি নির্মাণ করেছি।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম