শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬

২২ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88

শুক্রবার, নভেম্বর ৬, ২০২৬

২২ কার্তিক ১৪৩৩

সরকার অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম
BD.GOV.REG.NO-88
**সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ**

>> ৪ দেশের জন্য হরমুজের দরজা খুলে দিল ইরান

>> গোপালগঞ্জে সাবেক ৩ ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে

>> অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী

>> যুক্তরাষ্ট্রে ৫৪৮ জনের মৃত্যুদণ্ড বাতিল করলেন ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর

>> আন্দোলনে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের’ উদ্দেশ্য সফল হবে না: রিজভী

>> তুরস্কের পার্লামেন্টে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুমোদন

>> পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে বাসে তুলে ক্যাম্পাসে নিয়ে গেলেন কুবি শিক্ষার্থীরা

>> দেশের সব কারাগারের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা

>> দিল্লিতে অবস্থানরত হাসিনা আর রাজনীতিতে ফিরতে পারবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

>> রিপাবলিকানদের ভরাডুবিতে বড় ক্ষতি হলো ইলন মাস্কের

আপনি পড়ছেন : ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ভারতের পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


DhakaReport24.com || 2026-08-24
ভারতের পাহাড়ি ঢলে আখাউড়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে বাড়তে শুরু করা পানি সন্ধ্যার পর আরও দ্রুত বেড়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড়ি ঢলের পানিতে আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ইউনিয়ন ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। একই সঙ্গে হাওড়া নদীর পানিও বাড়ছে। নদীর বাঁধের যেসব অংশ ঝুঁকিপূর্ণ, সেসব এলাকার বাসিন্দারা বাঁধ ভেঙে পানি ঢোকার আশঙ্কায় আতঙ্কে রয়েছেন।

বিশেষ করে আবদুল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন জাজিরপুল খাল দিয়ে পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে কয়েকটি পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। রাতেও পানি বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

আবদুল্লাহপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, অনেক কষ্ট করে এবং বেশি দামে জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। পাহাড়ি ঢলের পানিতে এখন সব তলিয়ে গেছে। পানি নেমে গেলে আবার কীভাবে নতুন করে ধান লাগাব, সেটাই বুঝতে পারছি না। সরকার যেন আমাদের ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করে।

বীরচন্দ্রপুর গ্রামের কৃষক মনু মিয়াও একই ধরনের আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, ধানের জমি পানির নিচে চলে গেছে। এভাবে পানি আরও বাড়তে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতি হবে। কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে সরকারের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

ইউপি সদস্য রহিম মিয়া বলেন, পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা বেশি দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত নজর দেওয়া দরকার।


আখাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা বলেন, আখাউড়া পৌরসভা, মোগড়া ও দক্ষিণ ইউনিয়ন এলাকায় প্রায় আড়াইশ হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। তবে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা খুব কম থাকবে।


আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া জানান, পাহাড়ি ঢলের কারণে নিম্নাঞ্চলের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

ঢাকারিপোর্ট২৪.কম/জাক/আরএএম