বাংলা ফন্ট

প্রশ্ন তুলেছিল দেশ, সামনে এল এলিজাবেথের চিঠি

19-08-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 প্রশ্ন তুলেছিল দেশ, সামনে এল এলিজাবেথের চিঠি
নিউজ ডেস্ক: সে দিন তাঁকে জোর করে মায়ের কফিনের পিছন-পিছন হাঁটতে বাধ্য করা হয়েছিল। চারপাশে হাজারও লোক যেন গিলে খাচ্ছিল সে দৃশ্য। আর মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল একটাই কথা— টেলিভিশনের পর্দায় না জানি আরও কত লক্ষ লোক...। সম্প্রতি প্রকাশ্যে মুখ খুলেছিলেন রাজকুমার হ্যারি।

এ বার সামনের এল তাঁর দাদীর লেখা একটি চিঠি। যুবরানি ডায়ানার মৃত্যুর ছ’দিন পর কাছের বন্ধু লেডি হেনরিয়েট অ্যাবেল স্মিথকে চিঠিটি লিখেছিলেন রানি এলিজাবেথ। তাতেই জানা গেছে, দুই নাতিকে সে সময়ে কী ভাবে সামলেছিলেন দাদী। অথচ সে কথা না ভেবে ক্ষোভে ফেটে পড়েছিল গোটা দেশ। প্রশ্ন তুলেছিল, তাদের প্রিয় যুবরানির মৃত্যুতে কেন লন্ডনে নেই এলিজাবেথ? উইলিয়াম তখন ১৫ আর হ্যারি সবে ১২। দুই নাতিকে নিয়ে বালমোরালে ছিলেন রানি। হাতে লেখা চিঠিটির ছত্রে ছত্রে ফুটে উঠেছে, কোন পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছেন তিনি। এক দিকে পুত্রবধূর মৃত্যু, অন্য দিকে মা-হারা দুই নাতি।

লিখেছিলেন, ‘‘সত্যিই খুব দুঃখের ঘটনা। দেশের বড় ক্ষতি হয়ে গেল। মানুষ হাহাকার করছে, গোটা পৃথিবী যেন এক হয়ে গিয়েছে। উইলিয়াম আর হ্যারির মনের জোর খুব। ওদের জন্য গর্ব হয়।’’ আরও লিখেছেন, ‘‘এত দিনে তোমার চিঠিটাই প্রথম পড়লাম। খুব খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।’’

ডায়ানার ভাই চালর্সও সম্প্রতি বলেন, ‘‘শুধু ওদের জোর করে হাঁটানোই হয়নি, মিথ্যে কথা বলা হয়েছিল। বলা হয়, ওরাই মায়ের কফিনের সঙ্গে হাঁটতে চায়।’’ হ্যারির কথায়, ‘‘কোনও পরিস্থিতিতেই কোনও শিশুকে এ ভাবে জোর করা উচিত নয়। আমার বিশ্বাস, আজকের দিনে হলে এ কাজ কখনওই হত না।’’ জানিয়েছিলেন, তিনি যখন মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন, কী ভাবে দাদা তাঁকে সাহস জুগিয়েছিলেন।

রানির চিঠিতেও রয়েছে সেই কথা— ‘‘বালমোরালের সেই সপ্তাহটা। উইলিয়াম-হ্যারিকে সামলাব, না নিজেদের বোঝাব।’’

জানিয়েছিলেন, ‘‘কী প্রাণবন্ত ছিল মেয়েটা। দুই ছেলেকে খুব ভালবাসতো। ওর হাসিটা কানে লেগে আছে। কী অদ্ভুত ছিল হাসিটা। হাসতে-হাসতে বলত, যত ইচ্ছে দুষ্টুমি করো, শুধু ধরা না পড়লেই হল।’’

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইচএমএল






সর্বশেষ সংবাদ