বাংলা ফন্ট

নীলফামারীতে বোরো আবাদে ব্যস্ত কৃষক

13-02-2018
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 নীলফামারীতে বোরো আবাদে ব্যস্ত কৃষক
নীলফামারী: জেলায় বোরো আবাদে কৃষকদের চলছে ব্যস্ত সময়। ওই বোরো আবাদের সেচকাজে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ হাজার ৩২৮টি সেচযন্ত্র। এর মধ্যে গভীর নলকূপ ৩২৮টি ও অগভীর নলকূপ রয়েছে ২৬ হাজার। এসবের মধ্যে ৯০ ভাগের বেশী সেচযন্ত্র বিদ্যুৎ চালিত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্রমতে, জেলায় এবার ৮৪ হাজার ২৭৯ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হবে। এজন্য বীজতলা তৈরি হয়েছিল ৪ হাজার ৯৭০ হেক্টর। উৎপাদন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫৭ হাজার ৩৫৮ মেট্রিকটন চাল।

সেচনির্ভর আবাদে চালু রয়েছে ২৬ হাজার অগভীর এবং ৩২৮টি গভীর সেচযন্ত্র। এসব সেচযন্ত্রের মাধ্যমে ৭৪ হাজার ২৭৯ হেক্টর জমিতে সেচ প্রদান করা হবে। জেলার লক্ষ্যমাত্রার অবশিষ্ট ১০ হেক্টর জমি সেচ সুবিধা পাবে তিস্তা সেচ প্রকল্প থেকে।

জেলার কৃষকরা বলছেন, এবারে বিদ্যুতের ঘাটতি না থাকায় সেচযন্ত্র চালাতে তেমন সমস্যা হচ্ছে না। অপরদিকে তিস্তা সেচখালে এবারে পানি পাওয়া যাচ্ছে।

জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের সুটিপাড়া গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম বলেন,‘আমি প্রতিবছর প্রায় ৩০ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করি। এজন্য দুটি বিদ্যুৎচালিত সেচপাম্প ব্যবহার করতে হয়। এবারে বিদ্যুতের তেমন সমস্যা না থাকায় সেচযন্ত্র চালাতে সমস্যা হচ্ছে না।’

জেলার জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের হরিশচন্দ্র পাঠ গ্রামের কৃষক রণজিৎ কুমার রায় বলেন,‘এবারে শুরু থেকে তিস্তা সেচ ক্যানেলে পানির সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। এমন সুবিধা অব্যাহত থাকলে বোরো আবাদের তেমন সমস্যা হবে না।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপপরিচালক আবুল কাশেম আযাদ বলেন, বোরো আবাদের জমিতে চারা রোপণের কাজে কৃষকরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন। ইতিমধ্যে অর্ধেকেরও বেশি জমিতে চারা লাগানো হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে চারা রোপণের কাজ করবেন কৃষক। এবারে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। সেচের কোন সমস্যা না থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করা যাচ্ছে।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইএমএল


সর্বশেষ সংবাদ