বাংলা ফন্ট

পল্লী বিদ্যুত্ লাইন পেতে দালাল চাই

05-06-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 পল্লী বিদ্যুত্ লাইন পেতে দালাল চাই
চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতিতে মিটার সংকটে নতুন সংযোগ পাচ্ছে না কয়েক হাজার আবেদনকারী। তারা মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও মিটার পাচ্ছে না। গত চার মাস যাবত্ মিটার সংকট বিরাজ করছে বলে সমিতির কর্মকর্তারা জানান।

আবেদনকরীদের অভিযোগ, দালালের মাধ্যমে আবেদন করলে মিটার পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রতি মিটারের পিছনে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে, বৈদ্যুতিক খুঁটি সংকটে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও নতুন লাইন বসানো বন্ধ রয়েছে। মালামাল সংকটে  চট্টগ্রামে এ ধরনের কয়েকটি প্রকল্প গত ৬ থেকে ৭ মাস যাবত্ আটকা পড়েছে।

সরকারিভাবে নির্দেশনা রয়েছে নতুন সংযোগের জন্য আবাসিক খাতে আবেদন করার ৭ দিনের মধ্যে ও শিল্প-কারখানায় ২৮ দিনের মধ্যে বিদ্যুত্ সংযোগ দিতে হবে। কিন্তু এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। গ্রাতক নতুন সংযোগের জন্য আবেদন করে বিদ্যুত্ অফিসে মাসের পর মাস ঘোরাঘুরি করেও সংযোগ পাচ্ছে না। আবেদনকারীরা নিরুপায় হয়ে দালালের শরণাপন্ন হচ্ছে। আবেদনকারীদের অভিযোগ দালালের মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে সংযোগ মিলছে। এতে প্রতি মিটারের পেছনে খরচ হচ্ছে ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। অথচ সরকারি নিয়ম মোতাবেক নতুন সংযোগের জন্য আবেদন ফি ১০০ টাকা আর মিটার ফি ৬৫০ টাকা। এর বাইরে ওয়্যারিংয়ের মালামাল বাবদ কয়েকশত টাকা খরচ হয়ে থাকে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দালাল ও বাড়তি টাকা ছাড়া পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ মিলছে না।

পল্লী বিদ্যুত্ সমিতির কর্মকর্তারা জানান, জনবল সংকটে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কাজের পরিধি কয়েকগুণ বেড়েছে কিন্তু জনবল বাড়েনি। তাই মাঠ পর্যায়ে নতুন সংযোগ প্রদান ও বিতরণ লাইনের মেরামত কাজ বিলম্ব হচ্ছে। এতে গ্রাহকদের বিদ্যুত্ নিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

জানতে চাইলে পল্লী বিদ্যুত্ সমিতি, বাঁশখালী কার্যালয়ের ডিজিএম আবুল বাশার বলেন, ‘বর্তমানে প্রায় ৭ হাজার আবেদন জমা রয়েছে। গত ২ মাস যাবত্ মিটার সংকট বিরাজ করছে। নতুন সংযোগ দেয়া যাচ্ছে না। বিতরণ লাইনে নানা সমস্যায় গ্রাহকদের দুভোগ বেড়েছে।’

লোহাগাড়া কার্যালয়ের ডিজিএম বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘সরকার ২০১৮ সালের মধ্যে শত ভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে মাসে অন্তত ২ হাজার সংযোগ দিতে হবে। মিটার সংকটে প্রায় দেড় হাজার আবেদন কয়েক মাস যাবত্ আটকা পড়েছে। আগে মাসে ১০০ থেকে ২০০ মিটার বরাদ্দ পাওয়া যেত। এখন তাও মিলছে না।’

চন্দনাইশ কার্যালয়ের ডিজিএম শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাস থেকে মিটার সংকট বিরাজ করছে। প্রায় দেড় হাজার আবেদন জমা রয়েছে।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইচএমএল

সর্বশেষ সংবাদ