বাংলা ফন্ট

বিমান দুর্ঘটনা: শাহীন ব্যাপারীও চলে গেলেন

26-03-2018
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 বিমান দুর্ঘটনা: শাহীন ব্যাপারীও চলে গেলেন
ঢাকা: নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত শাহীন ব্যাপারী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ঢামেক বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের একথা জানান।

সোমবার বিকাল পৌনে ৫টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে দুপুরে বার্ন অ্যন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের অধ্যাপক ডা. সাজ্জাদ খন্দকার জানিয়েছিলেন, শাহীন ব্যাপারীর অবস্থার হঠাৎ করে অবনতি হয়েছে। তিনি এখন জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

গত বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে শাহীন ব্যাপারির অস্ত্রোপচার শেষ হয়েছিল। তখন বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন জানিয়েছিলেন, শাহীন ব্যাপারির আরও অস্ত্রোপচার করতে হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ মার্চ নেপালের কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলার একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এই ফ্লাইটে থাকা ৩৬ বাংলাদেশির ২৬ জন মারা যান। আহত হন ১০ জন। আহত ১০ জনের মধ্যে গত ১৮ মার্চ ঢাকায় আনা হয় শাহীন ব্যাপারী। তাকে ঢামেকের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

নিহতরা এরা হলেন- উম্মে সালমা, আঁখি মনি, বেগম নুরুন্নাহার ও শারমিন আক্তার, নাজিয়া আফরিন ও এফ এইচ প্রিয়ক, -বিলকিস আরা, আখতারা বেগম, মো. রকিবুল হাসান, মো. হাসান ইমাম, মিনহাজ বিন নাসির, তামাররা প্রিয়ন্ময়ী, মো. মতিউর রহমান, এস এম মাহমুদুর রহমান, তাহারা তানভীন শশী রেজা, অনিরুদ্ধ জামান, রফিক উজ জামান এবং পাইলট আবিদ সুলতান, কো-পাইলট পৃথুলা রশিদ, খাজা সাইফুল্লাহ, ফয়সাল, সানজিদা ও নুরুজ্জামান, পিয়াস রায়, নজরুল ইসলাম ও আলিফুজ্জামানের মরদেহ।

আর আহতদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের সভাকক্ষে মেডিকেল বোর্ডটি গঠন করা হয়। এরপর সাংবাদিকদের বোর্ড গঠনের কথা জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদ। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষ এই বোর্ড গঠন করেছে বলে জানা যায়। বোর্ডের বাকি ১২ সদস্য হলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের পরিচালক মো. আবুল কালাম, বিভাগীয় প্রধান সাজ্জাদ হোসেন খন্দকার, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের পরিচালক মো. ফারুক আলম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের রায়হানা আউয়াল, রেসপিরেটোরি মেডিসিন বিভাগের মহিউদ্দিন আহমেদ, সার্জারি বিভাগের প্রধান এ জেড এম মোস্তাক হোসেন তুহিন, অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান মো. শামসুজ্জামান, অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের মোজাফফর হোসেন, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের মো. জাহাঙ্গীর কবির, মানসিক ও স্বাস্থ্য বিভাগের আবদুল্লাহ আল মামুন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের জহির উদ্দিন ও সাইকিয়াট্রিক জামাল হোসেন।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইএমএল


 



সর্বশেষ সংবাদ