বাংলা ফন্ট

ফেসবুক মানুষকে অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে

19-12-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 ফেসবুক মানুষকে অবসাদগ্রস্ত করে তুলছে

ঢাকা: ফেসবুকের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাদের নিয়মিত আনাগোনা, তাদের মধ্যে ডিপ্রেশন, মানসিক অস্থিরতা, কিংবা লোক দেখানোর দৌড়ে পিছিয়ে পড়ার ভয়ের মতো প্রবণতা বেশি কাজ করে। এছাড়াও ফেসবুকে আসক্তদের মধ্যে মনঃসংযোগের অভাব ও মিথ্যা কথা লিখে নিজেকে জাহির করার প্রবণতাও রয়েছে। এবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষই স্বীকার করে নিয়েছে, একজন পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তি বেশিক্ষণ ফেসবুকে থাকলে মানসিক অবসাদে ভুগতে পারেন।

সম্প্রতি ফেসবুক গবেষকরা জানতে চান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশিক্ষণ সময় কাটানো কি খারাপ? এই প্রশ্নের কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর না দিলেও ফেসবুক কর্তৃপক্ষ পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, তারাও বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত। মার্ক জুকারবার্গের ইঙ্গিত, এ বিষয়ে গবেষণার জন্য তাদের আরও সময় দিতে হবে।

এরপর ফেসবুক জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তারা একটি 'মিউট' বাটন নিয়ে গবেষণা চালাচ্ছেন। ওই বোতাম একবার টিপলে ৩০ দিনের জন্য আপনার ফেসবুক সাইলেন্ট হয়ে যাবে। ফলে কোনো নোটিফিকেশন বা মেসেজ আসবে না। কেন এমন পদক্ষেপ নিতে চায় ফেসবুক? এতে তো তাদের ব্যবসারই ক্ষতি হবে।

আসলে সম্প্রতি একদল বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ফেসবুকের সাবেক কর্মী অভিযোগ তুলেছেন, অপরিচিতদের কাছাকাছি আনতে গিয়ে পরিচিতদের দূরে ঠেলে দিচ্ছে ফেসবুক। মানুষ এখন লোক দেখানো সম্পর্কে বিশ্বাসী হয়ে পড়েছেন। ভেঙে যাচ্ছে সামাজিক বন্ধন ও আত্মীয়তা।

'লাইক' পাওয়ার তীব্র আকাঙ্খা মানুষকে ক্রমশ মেকি করে তুলছে। ফেসবুকে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তা পাওয়ার আকাঙ্খা সাধারণ মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নিচ্ছে। বদলে যাচ্ছে মানুষের সাইকোলজি, বলছেন ফেসবুকের সাবেক কর্মকর্তা কামাথ পালিহাপতিয়া।

আরেক সাবেক কর্মকর্তা শন পার্কার বলেন, লাইক পাওয়ার জন্য শারীরিক সৌন্দর্যকে ব্যবহার করা হচ্ছে, যৌন উসকানি দেওয়া হচ্ছে। এভাবে চলতে পারে না। ফেসবুক কারও কারও ব্যক্তিগত সম্পর্ককেও প্রভাবিত করছে বলে দাবি করেন তিনি। সূত্র: এনডিটিভি।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইএমএল

সর্বশেষ সংবাদ