বাংলা ফন্ট

অরবিন্দ চক্রবর্তীর কবিতা

14-06-2018

 অরবিন্দ চক্রবর্তীর কবিতা


ইজারাস্থান

মানুষ শূন্যস্থান পেলে কেবল অক্ষর বসায়, অজ্ঞাত।

খুন খেলায় অভ্যস্তদের কোনো দিন যদি তুমি পাও, পেয়ে যাও
তোমার নামের পাশে ইচ্ছেনামটি লিখে অপরকে ডাকবে গানশালায়।
কেউ আসবে? হয়তো আমি। ঘড়িতে যোগাযোগ রেখে
রাতের অন্দরে যে শেষ আলোস্তম্ভ থির জ্বলছে, নিভিয়ে দিয়ে নাচবে।

ধরা যাক, ব্ল্যাক আউট বলে চিৎকারের অভ্যাস তোমার থেকে মুছে গেছে
সুযোগ এক; বলো তাকে পলায়ন। লোকটি হাতে তুলে নিল সকল সূচিপত্র।
ডায়নোসরের বিশেষ্য মুখস্থ রেখে এবার রোপণ করল হাড়।
সেচে ব্যবহার হলো রক্ত। আকাশপথে উড়তে লাগল খুলিসমগ্র,
ইজারা খাতায় কঙ্কাল আর কঙ্কাল।

প্রচণ্ড
ভোজালি ঢুকে ভাবছি, শরীর বেঁচে আছে তো! যদি আঁচ পেতাম, হাতপালা পৃথিবী নাড়াচ্ছে, কখনো আমাকে। বুলিয়ে দিচ্ছে পাথর। তবু ঠান্ডা ব্যবহারে বুঝি, মানুষ আমাকে নিয়ে পার্কে চলে গেল। খুব ঘেঁষে এলোমেলো করে দিল দেহের গামা, বিটা। শুধু দেখা যায় বিচিত্রবাহু ছুটছে। হাতসমস্ত যেন কার অধিকার ছিন্ন হয়ে তারা তারা আকাশে আমাদের ইশারা করছে। প্রবর মাংসে যেহেতু ঘাপটি করে আছি। শিরিশিরি কাঁপছি। অপর শরীরের বেলকনিতে এসো, আঙুর ছুড়ে দাও। আমাদের রক্তের যা কিছু তুচ্ছ সব উগ্রতপাকে দিই। হোক অমূল্য, হোক বজ্রতুর্য, হোক সিপাহী-গৌরব।


মর্গকথা
যেখানে দাঁড়াবার দরকার, সেখানে তুমি কেন? একটা কথিত দাড়াস এখানে কপি পেস্ট আছে বলে আজও নদী বয়ে যায়, ভাবনার ভেতরে এসে জনবহুল হয় তাহার জলৌকা পা; অনুকম্পা দোলে। কার্গোর ভূমিকায় তুলে নিতে চায় জনকথা, তোমার-আমার সকল আলফা। শ্রমী হে, গ্রন্থসকল এই পর্বে এসে পার্থ হয়ে যাক; পেশিগুলো পড়ে থাক দুধভাত, কথাভাত আর ক্রেনশুরের নিহিত দৈর্ঘ্য।

সর্বশেষ সংবাদ