বাংলা ফন্ট

'রিফিউজি' থেকে ভারতীয় হয়ে ওঠার ৭০ বছর

10-08-2017
নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম

 'রিফিউজি' থেকে ভারতীয় হয়ে ওঠার ৭০ বছর
ঢাকা: উপমহাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর একটা - ভারতের স্বাধীনতা আর দেশভাগের ৭০ বছর পালিত হচ্ছে এখন।

ভারত আর পাকিস্তানের বহু মানুষের কাছে যেমন এটা আনন্দের, উদযাপনের। তেমনি আরও লক্ষ লক্ষ বাঙালি আর পাঞ্জাবিদের কাছে নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে নতুন দেশে পাড়ি দেওয়ারও ৭০ বছর এটা।

দেশভাগের পরের প্রথম নয় বছরেই পূর্ববঙ্গ থেকে ভারতে চলে এসেছিলেন ২১ লক্ষেরও বেশী মানুষ।

সেই সব বাঙালি উদ্বাস্তুদের অনেকেরই দীর্ঘ জীবনসংগ্রাম শেষ হয়েছে এতগুলো দশকে। তবে ছেড়ে আসা দেশের কথা এত বছর পরেও মনে পড়ে তাঁদের।

যদিও সেই সব উদ্বাস্তু পরিবারগুলোর পরবর্তী প্রজন্ম এই সাত দশকে হয়ে উঠেছে পুরোপুরি ভারতীয়ই।

বদলেছে যেমন তাঁদের মুখের ভাষা, তেমনই পাল্টিয়েছে তাঁদের সামাজিক, অর্থনৈতিক জীবনযাত্রাও।

ভারত আর পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার ঠিক দুদিন পরে যে র‍্যাডক্লিফ লাইন টেনে উপমহাদেশের মানচিত্র চিরতরে পাল্টিয়ে দেওয়া হয়েছিল- তাতে একদিকে যেমন কোটি কোটি মানুষ নিজের দেশ পেয়ে আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেছিলেন, অন্যদিকে কয়েক লক্ষ মানুষকে হারাতে হয়েছিল নিজের দেশ, নিজের ভিটেমাটি।

স্বাধীনতার ৭০ বছরের উৎসব পালন করছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ, যে উৎসবে শামিল সেই সব কয়েক লক্ষ পরিবারও। যাদের কাছে এটা দেশ ছেড়ে চলে আসার, ছিন্নমূল হওয়ারও সাত দশক।

এতগুলো বছর পেরিয়ে পূর্ববঙ্গ বা তারপরে পূর্ব পাকিস্তানের নিজেদের ভিটেমাটি ছেড়ে চলে এসেছিল যেসব হিন্দু পরিবার, তারা এখন পুরোপুরি ভারতীয়ই হয়ে গেছেন।

কিন্তু প্রথম প্রজন্মের উদ্বাস্তুদের অনেকেরই এখনও ছবির মতো মনে রয়ে গেছে ছেড়ে আসা দেশের কথা, ভিটের কথা।

"অহনও রাত্রে স্বপ্ন দ্যাহি দ্যাশের বাড়ির। নদীরে তো দ্যাশে গাঙ কইত। আমরা গাঙ্গে স্নান করতে যাইতাম। কত্ত কিসু মনে পড়ে, হায় কপাল," বলছিলেন এক বৃদ্ধা।

দক্ষিণ কলকাতার বাসিন্দা, ফরিদপুর থেকে চলে আসা উদ্বাস্তু শান্তিরঞ্জন গুহর কথায়, "দেশের চার বিঘা জমিতে চারটা ঘর, দুইটা পুকুর ছিল। একটা চাইর পাড় বান্ধানো। গ্রামে কারও বিয়া-শাদি হইলে ওই পুকুর থিক্যা মাছ নিয়া যাইত। আর অন্য পুকুরটা নদীর সঙ্গে জোড়া ছিল - কত্ত রকমের যে মাছ সেখানে!"

৭০ বছর আগে যেসময়ে সারা ভারতে চলছে স্বাধীনতা পাওয়ার আনন্দ-উদ্দীপনা, সেই সময়ে পূর্ববঙ্গের নানা জেলায় শুরু হয়েছিল অনিশ্চয়তা আর অশান্তি।

সেই সময়ের কথা বলছিলেন ময়মনসিংহের কিশোর ছাত্র - এখন কলকাতার প্রবীণ বাসিন্দা পবিত্র চক্রবর্তী।

"তখন সবে পূর্ব পাকিস্তান হয়েছে। কথাবার্তা শুনতাম নতুন দেশে বাইরে থেকে লোকজন আসবে, থাকবে। কী হবে না হবে, পড়াশোনা ঠিকমতো করা যাবে কী না, কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না। তখনই বাবা সিদ্ধান্ত নিলেন যে মামাদের সঙ্গে আমাকে কলকাতায় পাঠিয়ে দেবেন। পরীক্ষা দিতেই এসেছিলাম প্রথমে। কিছুদিনের জন্য দেশে ফিরে গিয়েছিলাম। তারপরেই দেশ থেকে চলে আসি কলকাতায়," বলছিলেন মি. চক্রবর্তী।

অশান্তির আগুন যখন ছড়িয়ে পড়ছে পূর্ববঙ্গের নানা জায়গায়, তখন চরভৈরবী বন্দরে পারিবারিক ব্যবসা ছিল নিত্যনন্দ পালের বাবা-দাদাদের। একদিন রাতে হঠাৎই তাঁদের ভিটে ছাড়তে হয়।

"দাদারা ঘাসিনৌকা করে মরিচ বিক্রী করতে গিয়েছিল নোয়াখালির দিকে রামপুরে। সেখানেই তারা শুনতে পায় যে বাইরে থেকে আসা মুসলমানরা একজন স্থানীয় জমিদারের ভিটে আক্রমণ করেছে। পালিয়ে চলে এসে বাবাকে ঘটনাটা জানায়"-বলেন নিত্যনন্দ পাল।

"রাতারাতি নৌকা ঠিক করে বন্দর ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম বাজাপ্তিতে এক আত্মীয়র বাড়িতে। সেখান থেকে নিজেদের গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরে যখন যাচ্ছিলাম নৌকায়। গ্রামে ঢোকার মুখে দেখি কুমোরপাড়ার লোকেরা গরম জল, মরিচ নিয়ে পাহারা দিচ্ছে, যাতে আক্রমণ করলে বাধা দেওয়া যায়।"

"সেটা ছিল দূর্গাপূজোর ঠিক আগে। তবে আক্রমণটা হল লক্ষ্মীপূজোর দিন। বাইরে থেকে আসা কিছু মুসলমান গ্রামের সব কলাগাছ কেটে দিয়েছিল যাতে আমরা পূজো না করতে পারি। বেতবনে সবাই লুকিয়ে পড়েছিলাম আমরা। দাদারা রামদাও হাতে পাহারা দিচ্ছিল," বলছিলেন নিত্যানন্দ পাল।

নতুন গড়ে ওঠা সীমান্ত পেরিয়ে সদ্য স্বাধীন হওয়া ভারতে আসার পরে বেশিরভাগেরই ঠাঁই হয়েছিল কলকাতার শিয়ালদা স্টেশনে।

গবেষকদের সংগৃহীত তথ্য বলছে, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে প্রথম নয় বছরে প্রায় একুশ লক্ষ মানুষ চলে এসেছিলেন ভারতে।

শিয়ালদা স্টেশন থেকে কেউ চলে যেতেন আত্মীয়-স্বজনের বাসায়, কেউ জায়গা খুঁজতে বের হতেন কলকাতার উপকন্ঠে জমি জবরদখল করে গড়ে ওঠা রিফিউজি কলোনিগুলিতে।

এখন যেখানে দক্ষিণ কলকাতার অতি ব্যস্ত গাঙ্গুলি বাগানের বিদ্যাসাগর কলোনী এলাকা, সেখানেই মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজতে গিয়েছিলেন চট্টগ্রাম থেকে আসা ১৮-১৯ বছরের কিশোর তেজেন্দ্রলাল দত্ত।

তাঁর কথায়, "লোকমুখে খবর পেয়েছিলাম এইদিকে নতুন নতুন কলোনী তৈরী হচ্ছে। খোঁজ করতে একদিন একাই চলে আসি। মা বলে দিয়েছিল বড় রাস্তার ধারে যেন জমি না নিই - বাচ্চারা খেলাধুলো করতে রাস্তায় চলে গেলে গাড়ি চাপা পড়বে - এমনটাই ধারণা ছিল মায়ের। তাই রাস্তা থেকে কিছুটা হেঁটে ভেতরে এসে একটা জায়গা দেখেছিলাম। চারদিকে ডোবা, জলা-জঙ্গল। আমার এই বাড়ির পাশে অনেকটা ধানি জমি ছিল।"

"রাস্তার দিকে কয়েকটা ঘর তৈরী হয়েছিল। আমি আর দাদাও ঘর করলাম - গরাণের খুঁটি, হোগলা পাতার চাটাই দিয়ে বেড়া আর ছাউনি। মেঝে মাটির। নিজেরাই জঙ্গল কেটে সাফ করেছিলাম। তারপরে কলোনী কমিটি হল। কোথা দিয়ে রাস্তা হবে, কোন জমি কাকে দেওয়া হবে, সব ঠিক হতে লাগল। এখন তো চারদিকে কংক্রিটের জঙ্গল। বোঝার উপায় নেই কী ছিল এইসব জায়গা।"

যাঁদের কোথাও যাওয়ার নেই, সেরকম উদ্বাস্তুদের ট্রাকে করে পাঠান হত বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরগুলিতে। সপরিবারে থাকার জন্য যেমন তৈরী হয়েছিল নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প বা ধুবুলিয়ার মতো বহু শিবির, তেমনই একাকী নারী আর তাঁদের শিশু সন্তানদের জন্য ছিল আলাদা শিবির।

সরকারীভাবে এঁদের চিহ্নিত করা হয়েছিল পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি বা পি এল হিসাবে।

এখনও পশ্চিমবঙ্গে রয়েছেন ৪৮১ জন পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি - যাঁদের ৭০ বছর ধরেই মাসোহারা, চাল-ডাল-গম আর পরণের ধুতি বা শাড়ি দেয় সরকার।

মহিলাদের জন্য হুগলী জেলায় গঙ্গার ধার ঘেঁষে এরকমই একটি পি এল শিবিরে একটা সময়ে প্রায় ১৮ হাজার নারী ও শিশু বাস করতেন।

ভগ্নপ্রায় ব্যারাক ঘরে এখনও থাকেন কানুমতী বর্মন, শোভা বৈরাগীদের মতো কয়েকজন অশীতিপর, একাকী উদ্বাস্তু নারী।

দেশভাগের ফলে উদ্বাস্তু হয়ে যাওয়া মানুষদের ওপরে গবেষণা করেন অনসূয়া বসু রায়চৌধুরী।

তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এই যে কেউ কলকাতার উপকন্ঠে রিফিউজি কলোনীতে থেকে গেলেন, আবার বহু মানুষকে পাঠানো হল আন্দামান, ছত্তিশগড় বা ওড়িশায় শরণার্থী শিবিরে, অন্য অনেককে শহর থেকে অনেক দূরের শিবিরে - এই ভেদাভেদের কারণ কি?

"সরকারী নথিতে কোথাও উল্লেখ থাকত না, কিন্তু কারা উচ্চবর্ণের মানুষ, কারা তথাকথিত নিম্নবর্গের, সেটা বোঝার একটা উপায় ছিল। সীমানা পেরনোর সময়ে একটা লগবুকে প্রত্যেক রিফিউজিকে নাম-ধামের সঙ্গেই পেশা লিখতে হত।"

"যখনই কৃষিকাজকে পেশা হিসাবে লেখা হচ্ছে, তখনই বোঝা যেত যে তিনি নিম্নবর্গের মানুষ। সীমানা থেকে তারপরে যখন শিয়ালদা স্টেশনে মানুষ আসতেন, সেখানে তিনধরণের কার্ড দেওয়া হত - একটা সাদা, একটা নীল আরেকটা সবুজ," বলছিলেন মিসেস বসু রায় চৌধুরী।

"সাদা কার্ড সেইসব পরিবারকে দেওয়া হত, যাঁরা উচ্চবিত্ত, পুনর্বাসনের জন্য যাঁদের সরকারী সাহায্য লাগবে না - এমন মানুষদের। আরেকদল ছিলেন, যাঁদের সরকার মনে করত কিছুদিন পর্যন্ত সরকারী সাহায্য প্রয়োজন। আর শেষ দলে ছিলেন কৃষকরা। এঁদের কোনও সহায়-সম্বল নেই - সরকারকেই পুরোপুরি পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।"

"এঁদের মধ্যে সহায়হীন একাকী নারীদের মতো অনেককে পার্মানেন্ট লায়াবিলিটি বলা হল। আর আরেক ধরণের শিবির করা হল - ওয়ার্ক-সাইট ক্যাম্প। সেখানে কর্মঠ পুরুষ আছেন, এমন পরিবারগুলোকে পাঠানো হতে থাকল যাতে তাঁদের দিয়ে কায়িক পরিশ্রমের বদলে সরকার টাকা দেবে। দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের নানা বাঁধ, জলাধার, কলকাতার বাগজোলা খাল এসব ওইভাবে তৈরী হয়েছে।"

রিফিউজি কলোনী বা শরণার্থী শিবিরগুলির পত্তনের পরে কেটে গেছে অনেকগুলো দশক।

একসময়ের হোগলা বন আর জলাজঙ্গলে ভরা কলোনীগুলো এখন দেখলে বোঝার উপায় নেই যে একসময়ে কী ছিল জায়গাগুলো।

বেড়ার ঘর হাতে গুনে এক আধটা, কাঁচা রাস্তার বদলে পিচ ঢালা চওড়া রাস্তা - দিনরাত সেখানে হাজারো গাড়ির হর্ণ, হ্যারিকেন আর কুপির আলোর দিন শেষ - ঝলমল করছে আলোয়।

এলাকার নাম থেকে বাদ পড়েছে কলোনী শব্দটা।

নতুন দেশে এসে কীভাবে মিশে গিয়েছিলেন পূর্ব বঙ্গের উদ্বাস্তুরা, সেই প্রক্রিয়ার সাক্ষী থেকেছেন দক্ষিণ কলকাতার বিবেকনগর কলোনী এলাকার বাসিন্দা, দ্বিতীয় প্রজন্মের বাঙাল, মোহিত রায়।

"আমরা যে ভারতেরই অংশ, সেটা প্রমাণ করার জন্য স্বাধীনতা দিবস, প্রজাতন্ত্র দিবস - এগুলো খুব ঘটা করে পালন করা হত আমাদের ছোটবেলায়। প্রভাতফেরী হত, প্রতিটা কলোনীতে স্বাধীনতা সংগ্রামের শহীদদের স্মৃতিতে বেদী তৈরী হত।"

"আরেকটা ফ্যাক্টর কাজ করেছে এই নতুন সমাজে মিশে যাওয়ার পেছনে - সেটা হল পড়াশোনা। প্রতিটা কলোনীতে দেখবেন অন্তত দুটো স্কুল ছিল। আমাদের তো পড়াশোনা করা ছাড়া জীবন সংগ্রামে জেতার অন্য কোনও উপায় ছিল না!"

"তাই কলোনীগুলোর ১০০ শতাংশ মানুষই কিন্তু শিক্ষিত। সেটা দিয়ে আমরা কাজকর্ম করে প্রতিষ্ঠিত হয়েছি, তাই এখন আমরা এলকার নাম থেকে কলোনী শব্দটা বাদ দিয়ে দিয়েছি। এখন যেন এটা কলকাতার অন্যান্য অঞ্চলের মতোই একটা জায়গা।"

যেহেতু অনেক চেষ্টা করে লড়াই করে, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সহ্য করে তাঁদের নিজেদের ভারতীয় হয়ে উঠতে হয়েছে, তাই উদ্বাস্তুদের বর্তমান প্রজন্ম আর বিশেষ আলোচনা করে না দেশভাগ, বা মনে করতে চায় না ছিন্নমূল হয়ে আসার পরে তাদের পূর্বপুরুষদের লড়াইয়ের কথা।

"আমাদের বাবা-কাকারা যা সাফার করেছে, সেটা তো আমাদের করতে হয় নি। তাই বন্ধুবান্ধবদের মধ্যে আড্ডা-গল্পে আর দেশভাগ, তারপরের লড়াইয়ের কাহিনী - এসব খুবই কম উঠে আসে। তবে হ্যাঁ, দেশের বাড়ির কথা যা যা শুনেছি - ইচ্ছে হয় কেমন ছিল সেটা দেখে আসার।"

"কিন্তু সেটার সঙ্গে কোনও নাড়ীর টান বোধহয় আমাদের বয়সীরা কেউই আর অনুভব করি না। অন্য দেশে ঘুরতে যাওয়ারই মতো বাবা-কাকাদের ফেলে আসা দেশেও এমনিই ঘুরতে যাওয়া যেতে পারে, কোনও স্মৃতি রোমন্থনের জন্য বোধহয় নয়," বলছিলেন কলকাতার প্রথম রিফিউজি কলোনী বিজয়গড় এলাকার বাসিন্দা, আরেক দ্বিতীয় প্রজন্মের উদ্বাস্তু সুদীপ্ত সেন রায়।

সেইরকমই হুগলীর বাঁশবেড়িয়ায় পুনর্বাসন পাওয়া উদ্বাস্তু পরিবারের যুবক দিলীপ দে বা বিকাশ সাহাদের মতো নতুন প্রজন্মের উদ্বাস্তুদের অনেকেরই সাধ জাগে পূর্ব পুরুষের ফেলে আসা দেশটা একবার দেখে আসার।

তবে স্বন্দীপের যে পাড়া ছেড়ে কম বয়সে কলকাতায় চলে এসেছিলেন চিত্তরঞ্জন কলোনীর বাসিন্দা সুনীতি নন্দী, সেখানে একবার ফিরে গিয়েছিলেন প্রথম সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরে।

ততদিনে চেনা পাড়া বদলিয়ে গিয়েছিল, খুঁজে পাননি পরিচিতদের কাউকে।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইচএমএল

সর্বশেষ সংবাদ